বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিএনপির সরকার চালানোর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা জানি কীভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় দেশে দুর্নীতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল।’
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনের প্রচারণার পঞ্চম দিনে এটি ঢাকার বাইরে তার তৃতীয় জনসভা।
তারেক রহমান বলেন, গত ১৫ বছর দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ভোটাধিকার না থাকার কারণে জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও অবকাঠামোগত সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। তিনি বলেন, ‘মানুষ চায় অসুস্থ হলে সুচিকিৎসা এবং মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা। যদি দেশে জনগণের সরকার থাকত, তবে আজ এই সংকট তৈরি হতো না।’
বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে তারেক রহমান সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হন। মঞ্চে ওঠার আগে তিনি জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলনে ময়মনসিংহে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন। ময়মনসিংহের তারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানালে তিনি তা বিবেচনার আশ্বাস দেন।
তারেক রহমানের বক্তব্যের আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। প্রার্থীদের মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘আমরা এই বিভাগের ২৪টি আসনই তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই। অতীতের সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, ফরিদুল কবির তালুকদারসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশস্থলে আসা বয়োজ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীরা স্মৃতিচারণ করে বলেন, এই মাঠেই তারা একসময় বেগম খালেদা জিয়ার ভাষণ শুনেছিলেন, আজ তার যোগ্য উত্তরসূরির বক্তব্য শুনতে এসেছেন।
ময়মনসিংহে তারেক রহমান
নির্বাচনি প্রচারণায় ময়মনসিংহের পথে তারেক রহমান
ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও উত্তরায় তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভা আজ
