জুলাই মাসে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যা এবং দীর্ঘদিনের গুমের ঘটনাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদারকির লক্ষ্যে ১৪ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রোববার (১ মার্চ) দলটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই এই কমিটির প্রধান কাজ। দলের আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে গঠিত এই কমিটি বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি, তদন্তের স্বচ্ছতা এবং আইনি লড়াইয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশে থাকবে।
কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জনপ্রিয় ছাত্রনেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। উপ-প্রধান হিসেবে থাকবেন মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। কমিটির অন্য ১২ জন সদস্যের তালিকায় রয়েছেন আন্দোলনের আহত যোদ্ধা, শহীদ পরিবার, গুম হওয়া পরিবারের সদস্য এবং একঝাঁক অভিজ্ঞ আইনজীবী।
পূর্ণাঙ্গ তালিকা
১. প্রধান: হাসনাত আব্দুল্লাহ।
২. উপ-প্রধান: মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
৩. সদস্য: কাজী রাইসুল ইসলাম (জুলাই আহত যোদ্ধা)।
৪. সদস্য: শারমিন সুলতানা (শহীদ জুয়েলের বোন)।
৫. সদস্য: জাহিদ হাসান (গুম হওয়া পরিবারের সদস্য)।
৬. সদস্য: মো. মাহবুব আলম।
৭. সদস্য: অ্যাডভোকেট খন্দকার রাকিব।
৮. সদস্য: অ্যাডভোকেট ওমর ডালী।
৯. সদস্য: অ্যাডভোকেট এরশাদুল বারী খন্দকার।
১০. সদস্য: অ্যাডভোকেট আমিনা আক্তার লাভলী।
১১. সদস্য: অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা।
১২. সদস্য: অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর।
১৩. সদস্য: তামিম আহমেদ।
১৪. সদস্য: আরমান হোসাইন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এনসিপি-র এই উদ্যোগ বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং দায়ীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল চেয়ে রিটের শুনানি রোববার
