মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ফ্রান্সের চেনা চেহারাটা পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রথমার্ধে সেনেগালের দ্রুত গতির পাল্টা আক্রমণে বারবার চাপে পড়ে যায় লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। তবে বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে জেগে ওঠে ফরাসিরা।
কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল এবং বদলি হিসেবে নামা ব্র্যাডলি বারকোলার ঝলমলে পারফরম্যান্সে সেনেগালকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই সেনেগাল ছিল বেশি গোছানো ও আক্রমণাত্মক। ফ্রান্সের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখেই একের পর এক আক্রমণ সাজায় তারা।
প্রথমার্ধে আরও একাধিক সুযোগ নষ্ট করে সেনেগাল। অন্যদিকে এমবাপ্পে-দেম্বেলে জুটি কার্যত নিস্প্রভ ছিল পুরো প্রথমার্ধে।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য পাল্টে যায় ফ্রান্সের খেলা। শুরু থেকেই আক্রমণের গতি বাড়ায় তারা। ৪৮ মিনিটে উপামেকানোর লম্বা পাস থেকে দুর্দান্ত শট নিলেও গোলের দেখা পাননি দুয়ে।
এরপর ৬৬ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। ওলিসের নিখুঁত থ্রু পাসে ডান পায়ের দারুণ ফিনিশিংয়ে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে।
গোল হজমের পর দ্রুত জবাব দেয়ার চেষ্টা করে সেনেগাল। এক মিনিটের মধ্যেই তারা বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। এরপরও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় তারা, কিন্তু ফ্রান্সের আক্রমণ তখন আরও ধারালো হয়ে ওঠে।
৮০ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা ব্র্যাডলি বারকোলা ব্যবধান বাড়ান। দেম্বেলের পরিবর্তে নেমেই দ্রুত ছন্দ খুঁজে পান তিনি এবং সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন। যোগ করা সময়ে সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে একটি গোল শোধ দিলেও শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন এমবাপ্পে। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
এমবাপ্পের গোল, সেনেগালের বিপক্ষে এগিয়ে ফ্রান্স
ইরানের ড্রেসিংরুমে গিয়ে উৎসাহ দিলেন ফিফা প্রধান