বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল মানেই কেবল শিরোপার লড়াই কিংবা ইতিহাস গড়া নয়, এর সাথে জড়িয়ে রয়েছে বিপুল অঙ্কের প্রাইজমানি। মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মহাকাব্যিক ফাইনালে আজ যে দল ট্রফি উঁচিয়ে ধরবে, তারা বিশ্বসেরার মুকুটের পাশাপাশি পাবে কোটি কোটি ডলারের আর্থিক পুরস্কার।
ফিফার অফিশিয়াল প্রাইজমানি অনুযায়ী, এবারের আসরের চ্যাম্পিয়ন দল ঘরে তুলবে ৪ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪৯০ কোটি বাংলাদেশী টাকা। অন্যদিকে রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৩৬৮ কোটি টাকার সমান।
টাকার অঙ্কে এই বিশাল প্রাপ্তি শিরোপার লড়াইকে নিঃসন্দেহে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলছে। আজ রাতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফুটবলবিশ্বের এই মেগা প্রাইজমানি কার হাতে উঠছে, তা দেখতে ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা আর মাত্র কিছুক্ষণের।
অবশ্য প্রাইজমানির এই বিশাল জোয়ারে শুধু ফাইনালিস্টরাই ভাসছে না, টুর্নামেন্টের প্রতিটি ধাপেই ছিল কোটি কোটি টাকার ছড়াছড়ি। প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাচ্ছে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার এবং চতুর্থ হওয়া দল পাচ্ছে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
এমনকি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া প্রতিটি দল পেয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার করে। আর নকআউট পর্বের শেষ ষোলো থেকে ছিটকে যাওয়া দলগুলোর ঝুলিতে গেছে ১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার।
বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া কোনো দলই খালি হাতে বাড়ি ফেরে না, গ্রুপ পর্ব থেকেই দলগুলো নির্দিষ্ট অর্থ পায়। পাশাপাশি, ফুটবলারদের জাতীয় দলে ছাড়ার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাবকেও আলাদাভাবে বড় অঙ্কের অর্থ দেয় ফিফা।
'ক্লাব বেনিফিট প্রোগ্রাম'-এর নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়রা টুর্নামেন্টে যতদিন থাকেন, সেই মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে ক্লাবগুলো এই অর্থ পায়। তবে ফিফার দেওয়া এই বিশাল অঙ্কের অর্থ সরাসরি ফুটবলারদের হাতে যায় না।
নিয়মানুযায়ী এই প্রাইজমানি প্রথমে জমা হয় সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের ফান্ডে। পরবর্তীতে ফেডারেশনের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী খেলোয়াড়, কোচ ও অফিশিয়ালদের মধ্যে এই অর্থ বোনাস হিসেবে বণ্টন করা হয়।
বিশ্বকাপ ফাইনালে গোলশূন্য বিরতিতে স্পেন–আর্জেন্টিনা
আক্রমণে স্পেন, ধীর চেষ্টা আর্জেন্টিনার
মাঠে চলে এসেছে বিশ্বকাপ ট্রফি, স্পেন–আর্জেন্টিনার লড়াই শুরু