বিশ্বকাপের শিরোপা রক্ষার লড়াইয়ে স্পেনের সামনে অলৌকিক কিছু করে দেখাতে পারলেন না লিওনেল মেসি। ম্যাচ শেষে গলায় রানার্সআপের পদক ঝুলিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছেড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে নিজেদের হারের কষ্ট বুকে চেপে বিজয়ী স্পেনকে প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করেননি তিনি।
১৯৬২ সালে ব্রাজিলের গড়া টানা দুই বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল আলবিসেলেস্তেরা। তবে অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়ে দ্বিতীয় অর্ধে পা দেওয়ার পরপরই (প্রথম মিনিটেই) গোল করে বসে স্পেন। ফেরান তোরেসের সেই এক গোলেই স্বপ্নভঙ্গ হয় আর্জেন্টিনার।
বল দখলের লড়াই, নির্ভুল পাসিং কিংবা প্রতিপক্ষের গোলমুখে আক্রমণ—প্রতিটি বিভাগেই আলবিসেলেস্তেদের স্পষ্ট ব্যবধানে পেছনে ফেলে দেয় স্পেন।
ম্যাচ শেষে ভক্তদের উদ্দেশে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি মেসি। তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমি দুঃখিত, তবে আমি জানি যে আমরা আমাদের পুরো হৃদয় দিয়ে খেলেছি।’
পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ খেলা স্পেন ফাইনাল মঞ্চেও নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখে। ম্যাচে পরিসংখ্যানই তাদের শ্রেষ্ঠত্ব জানান দেয়; শটের দিক থেকে ২০-২ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি ৮৪৫টি সফল পাস খেলে তারা, যেখানে আর্জেন্টিনা করতে পেরেছিল ৪৩৩টি।
স্পেনের এই একচ্ছত্র আধিপত্যকে খোলামনে মেনে নিয়ে মেসি যোগ করেন, ‘সত্যি বলতে, আজকের ম্যাচে ওরা আমাদের চেয়ে ঢের ভালো ফুটবল খেলেছে। আমরা পরাজিত হয়েছি এবং এই সত্যটি আমরা মেনে নিচ্ছি। তবে এই হারের কারণে আমাদের অর্জিত সাফল্যগুলো ম্লান হয়ে যাবে না। আমি আমার সতীর্থ, দেশবাসী এবং ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’
স্পেনের বিশ্বজয়ের নায়ক কে এই ফেররান তরেস?
কেন হারলো আর্জেন্টিনা, জেনে নিন ৫ কারণ