পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্সের পর আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের একাধিক ক্রিকেটারের।
চার ইনিংসে এক সেঞ্চুরি ও এক ফিফটিতে ২৫৩ রান করে সিরিজের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। এই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে প্রায় দুই দশকের টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো তিনি উঠে এসেছেন ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ের ১৬তম স্থানে। এটি তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিং।
একই সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ক্যারিয়ারসেরা অবস্থানে পৌঁছেছেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে তিনি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে ১১তম স্থানে উঠে এসেছেন। এর আগে তাঁর সর্বোচ্চ অবস্থান ছিল ১৩তম।
ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন আরেক অভিজ্ঞ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান লিটন দাস। সিরিজে একটি সেঞ্চুরিসহ ২৩৯ রান করে তিনি ১৪ ধাপ এগিয়ে এখন ২৪তম স্থানে অবস্থান করছেন।
তবে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় কিছুটা পিছিয়েছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সিরিজের প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি থাকলেও পরের ম্যাচে বড় ইনিংস খেলতে না পারায় তিনি ৭ ধাপ পিছিয়ে ৩০তম স্থানে নেমে গেছেন।
বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ–এরও। তিনি দুই ধাপ এগিয়ে এখন ২৫তম স্থানে আছেন। অন্যদিকে তরুণ ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা ১০ ধাপ উন্নতি করে উঠে এসেছেন ৫৪তম স্থানে।
অলরাউন্ডারদের তালিকায়ও উন্নতি হয়েছে তাইজুল ইসলামের। তিনি তিন ধাপ এগিয়ে ২৯তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। সিরিজের দুই ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ রান করার পাশাপাশি বল হাতে অবদান রাখেন তিনি।
র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রয়েছেন ইংল্যান্ডের জো রুট এবং বোলারদের তালিকায় শীর্ষে আছেন ভারতের যশপ্রীত বুমরা।
সব মিলিয়ে পাকিস্তান সিরিজটি বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিং—দুই ক্ষেত্রেই বড় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছে।
বড় দলগুলোর বিপক্ষে বেশি বেশি টেস্ট খেলতে চাই: শান্ত