মাঠের জাদুর পর এবার ‘বিলিয়নিয়ার’ ক্লাবে লিওনেল মেসি

আপডেট : ২৪ মে ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম

ফুটবল মাঠের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে দেড় দশক ধরে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে সমানে সমান লড়েছেন লিওনেল মেসি। এবার মাঠের বাইরেও পর্তুগিজ মহাতারকার গড়া এক অনন্য রেকর্ডে ভাগ বসালেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্সের সর্বশেষ আর্থিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক লিওনেল মেসির মোট নিট সম্পদ এখন এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের (১০ হাজার কোটি টাকার বেশি) মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

ব্লুমবার্গের বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৭ সাল থেকে কেবল মাঠের বেতন এবং বোনাস বাবদই ৩৮ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি আয় করেছেন ৭০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লাভজনক সব ব্র্যান্ডের স্পনসরশিপ, বৈশ্বিক বাণিজ্যিক বিনিয়োগ এবং রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মুনাফা। ২০২৩ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিলিয়নিয়ার ক্লাবে ঢুকেছিলেন; মেসি হলেন এই উচ্চতায় পৌঁছানো ইতিহাসের দ্বিতীয় ফুটবলার।

বিস্ময়কর তথ্য হলো, ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলাল মেসিকে বছরে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা) প্রস্তাব দিলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরিবর্তে তিনি যোগ দেন আমেরিকার ইন্টার মায়ামিতে। হোর্হে মাসের দেওয়া তথ্যমতে, মায়ামিতে মেসির বেতন ৭০-৮০ মিলিয়ন ডলার হলেও তার চুক্তিতে অ্যাপল টিভির লভ্যাংশ এবং ক্লাবের মালিকানা পাওয়ার মতো কৌশলী সব শর্ত রয়েছে। মেসির ছোঁয়ায় ইন্টার মায়ামির বর্তমান ব্র্যান্ড ভ্যালু ১.৪৫ বিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে, যা প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকেও বেশি।

মেসির এই বিশাল সাম্রাজ্য কেবল ফুটবলে সীমাবদ্ধ নেই। স্প্যানিশ শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত তার রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্টের মূল্যই ২৩২ মিলিয়ন ডলার। এর অধীনে রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল হোটেল ও বাণিজ্যিক ভবন। এছাড়া আর্জেন্টিনার বিখ্যাত রেস্তোরাঁ চেইন ‘এল ক্লাব দে লা মিলানেসা’ এবং নিজস্ব স্পোর্টস ড্রিংকস ব্যবসায় তার বড় অংকের বিনিয়োগ রয়েছে। অবসরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মেসি ইতোমধ্যে স্পেনের ‘কর্নেলা’ এবং উরুগুয়ের ‘ডেপোর্টিভো এলএসএম’ ক্লাবের মালিকানাতেও অংশীদারত্ব গ্রহণ করেছেন।

FJ
আরও পড়ুন