এবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীদের বিশেষ নজর কেড়েছে তুর্কি পণ্যের স্টল। আভিজাত্য আর নান্দনিকতার ছোঁয়া থাকা লাইট, কার্পেট ও ঘর সাজানোর নানা তৈজসপত্রে সন্তুষ্ট ক্রেতারা।
চোখ ধাঁধানো রঙের লাইট, নান্দনিক ডিজাইনের হোম ডেকোর সামগ্রী আর বৈচিত্র্যময় কারুকাজের কার্পেট-সব মিলিয়ে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে তুর্কি পণ্যের দোকান। দোকানগুলোর ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা মেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের সহজেই টানছে।
দোকান সাজানো রয়েছে তুরস্কের ঐতিহ্যবাহী অটোম্যান আমলের মোজাইক ল্যাম্প, হাতে বোনা কার্পেট, সিরামিক ও টিনের তৈরি বিভিন্ন শোপিস ও ব্যবহার্য সামগ্রী। এসব পণ্যের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন ক্রেতারা।
ক্রেতারা জানান, পণ্যগুলো দেখতে যেমন আলাদা, তেমনি মানও ভালো। অনেকেই বলছেন, তুর্কি পণ্যের ডিজাইন ও কারুকাজ দেশীয় পণ্যের সঙ্গে মেলে না, যা তাদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে।
ল্যাম্পের আকার ও কারুকাজ অনুযায়ী দাম দেড় হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। রঙিন তৈজসপত্র পাওয়া যাচ্ছে দেড়শো টাকা থেকে বিভিন্ন দামে। ক্রেতাদের মতে, আগের বছরের তুলনায় এবার মেলার পরিবেশ ও পণ্যের মান ভালো হলেও দাম কিছুটা বেশি। তবে অনেক পণ্যই হাতে তৈরি ও অরিজিনাল হওয়ায় তা কেনার আগ্রহ বাড়ছে।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের কারণে মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা এখনো তুলনামূলক কম, ফলে প্রত্যাশিত বিক্রি হচ্ছে না। তবে ঠান্ডা কমলে ভিড় বাড়বে এবং বেচাকেনাও আরও ভালো হবে বলে তারা আশাবাদী।
দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়বে এবং তুর্কি পণ্যের স্টলগুলো আরও বেশি ক্রেতার আগ্রহ পাবে-এমনটাই আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

