সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। আকাশগবেষণা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) আরব বিশ্বে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।
আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, এ বছর আরব বিশ্বে পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সেই অনুযায়ী, শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদের দিন ২০ মার্চ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
শারজাহ অ্যাকাডেমি ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ১৮ মার্চ (রমজানের ২৯তম দিন) সূর্যাস্তের আগেই চাঁদ অস্ত যাবে। ফলে ওইদিন আকাশে নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এর ফলে ১৯ মার্চ রমজান মাসের ৩০তম দিন পূর্ণ হবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আরও জানান, ১৯ মার্চ ভোরে নতুন চাঁদের জন্ম হলেও সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স ও অবস্থান এমন থাকবে যে তা খালি চোখে দেখা প্রায় অসম্ভব। এমনকি সাধারণ টেলিস্কোপ ব্যবহার করেও চাঁদ দেখা কঠিন হতে পারে। তবে উচ্চপ্রযুক্তির ক্যামেরায় ছবি তোলা সম্ভব হলেও ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী সাধারণ পর্যবেক্ষণে চাঁদ দৃশ্যমান না হওয়ায় ২০ মার্চকেই ঈদের দিন হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।
এসব হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ২০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপনের জোর সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হয়, সেই হিসেবে বাংলাদেশে ২১ মার্চ ঈদ হতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে আকাশে চাঁদ দেখার ওপর। সূত্র: দ্য ন্যাশনাল
ঈদুল ফিতরেও আল-আকসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের অনুমতি পেলো যারা
