মার্কিন-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ২০২০ সালের মহামারির পর চলতি বছরে এই প্রথম বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের চাহিদা কমতে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) এই পূর্বাভাস দিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি)-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেলের উচ্চমূল্য এবং পারস্য উপসাগরে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কারণে ২০২৬ সালে তেলের চাহিদা দৈনিক প্রায় ১ মিলিয়ন (১০ লাখ) ব্যারেল কমতে পারে। চলমান সংঘাতের কারণে বহু অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে আটকা পড়ে আছে। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ 'হরমুজ প্রণালি' দিয়ে এসব ট্যাংকার নিরাপদ যাতায়াত করতে পারছে না।
এপি'র প্রতিবেদন বলছে, গত মে মাসে বিশ্বব্যাপী তেলের ব্যবহার গত বছরের তুলনায় দৈনিক ৫.৩ মিলিয়ন ব্যারেল কমেছে, যার গড় পরিমাণ ছিল ৯৭.৯ মিলিয়ন ব্যারেল। মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে এই মন্দার সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে এশিয়ায়। এর মধ্যে চীনে বিশ্বের সবচেয়ে তীব্র পতন রেকর্ড করা হয়েছে; সেখানে তেলের চাহিদা ৯ শতাংশ (দৈনিক ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল) হ্রাস পেয়েছে।
বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমলেও এর একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে পেট্রোলের ব্যবহার উল্টো বেড়েছে। অথচ মে মাসে সেখানে জ্বালানির দাম যুদ্ধপূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা
তৈরি পোশাক খাতে নগদ সহায়তা বাড়ালো সরকার
চলতি অর্থবছরে ৪.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে