রমজানে ১০ পণ্য আমদানিতে ন্যূনতম মার্জিন রাখার নির্দেশ

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম

আসন্ন রমজান মাস সামনে রেখে চাল, চিনি, পেঁয়াজ, ছোলা, খেজুরসহ ১০ পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিন ন্যূনতম রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (৮ নভেম্বর) সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এক সার্কুলারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ‘রমজান মাস উপলক্ষ্যে নিত্যপণ্যের আমদানি ঋণপত্র স্থাপন এবং নগদ মার্জিন সংরক্ষণ’ শিরোনামে এ সার্কুলার দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বরের সার্কুলারে কিছু পণ্যের আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বরের সার্কুলারে রমজান মাসের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু ভোগ্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়, যা চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ ছিল।

সার্কুলারে বলা হয়, আগামী রমজান মাসে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম অয়েল), চিনি, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর আমদানিতে নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে হবে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে আমদানি ঋণপত্র স্থাপনে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলো।

ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারির কথা তুলে ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

জেএম
আরও পড়ুন