ভেনেজুয়েলার তেল খাতকে লক্ষ্য করে নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি (অর্থ) মন্ত্রণালয় ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারটি কোম্পানির ওপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
ফলে যুক্তরাষ্ট্রে এই চার তেল কোম্পানি কিংবা কোম্পানির কর্মকর্তাদের কোনো সম্পদ থাকলে সেগুলো আর ব্যবহার করতে পারবে না কোম্পানিগুলোর কর্তৃপক্ষ কিংবা কর্মকর্তারা। কোম্পানিগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশও করতে পারবেন না।
ট্রেজারি মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতি বলা হয়েছে, ‘নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া এই চার কোম্পানি এবং কোম্পানির কর্মকর্তারা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ঘনিষ্ঠ।’
পৃথক এক বিবৃতিতে মার্কিন ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান স্পষ্ট এবং পরিষ্কার আমরা অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে বন্যার মতো মাদক সরবরাহকারী অবৈধ মাদুরো সরকারকে তেল রপ্তানি থেকে মুনাফা তুলতে দেবো না।’
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে যখন প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন ট্রাম্প, সে সময় থেকেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে মনে করতেন তিনি। ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরও প্রেসিডেন্ট মাদুরোর ব্যাপারে তার মনোভাবের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করেছেন ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলার ট্যাংকার জাহাজগুলোর ওপর সর্বাত্মক অবরোধ জারি করেছেন। গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার বেশ কিছু ট্যাংকার জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া ভেনেজুয়েলার যে কোনো ট্যাংকার জাহাজ দেশটির বন্দর ছেড়ে গেলে বা ভেনেজুয়েলায় প্রবেশ করার চেষ্টা করলেই সেগুলোকে জব্দ করা হবে।
গত ডিসেম্বরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার চারটি ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই জাহাজগুলো তেল রপ্তানির কাজে ব্যবহার করা হতো।
সূত্র: রয়টার্স
চেনাব নদীতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ভারতকে পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে নিহত ৩