লেবাননে ব্যাপক হামলা, ডেমোক্র্যাটদের তোপের মুখে ট্রাম্প

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৬, ০১:২১ পিএম

ইরান ও লেবাননের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। বৈরুতের নিকটবর্তী একটি হোটেল এবং ইরানের কোম (Qom) শহরে অবস্থিত 'অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস'-এর ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। দুই দেশ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়ে গেছে।

এদিকে, তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলোতে টানা চতুর্থ রাতের মতো পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। দুবাইয়ে ওয়াশিংটনের কনস্যুলেট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে হামলার খবর পাওয়া গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ইরান ও লেবানন লক্ষ্য করে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বাহিনীর হামলা তীব্রতর হয়েছে। এই হামলায় কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তু নয়, বরং বৈরুতের বেসামরিক হোটেল এবং ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ 'অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস' ভবনকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। চলমান এই সংঘাতের ফলে উভয় দেশে নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৮০০ ছাড়িয়ে গেছে।

এদিকে ইরানও হাত গুটিয়ে বসে নেই। তারা টানা চতুর্থ রাতের মতো ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, দুবাইয়ের মার্কিন কনস্যুলেট এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ফুজাইরাহ বন্দরে হামলা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা এই সংঘাতকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে দিয়েছে।

এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন। ডেমোক্র্যাটরা ইরানের ওপর এই হামলার যৌক্তিকতা এবং এর ফলে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার কারণে প্রশাসনকে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক- উভয় দিক থেকেই কঠোর সমালোচনার মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার পথে। দুই পক্ষের পাল্টা-পাল্টি হামলা এবং ক্রমবর্ধমান প্রাণহানি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই সংকট অচিরেই একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক মহাযুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী হবে।

SN
আরও পড়ুন