মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত জলপথ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হওয়া থাইল্যান্ডের পণ্যবাহী জাহাজ ‘ময়ূরী নারি’ (Mayuri Naree) বর্তমানে ইরানের একটি দ্বীপে চরে আটকা পড়েছে। গত ১১ মার্চ জাহাজটিতে অতর্কিত গুলিবর্ষণের পর থেকে ৩ জন নাবিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের কেশম দ্বীপের রামচাহ গ্রামের কাছে জাহাজটি প্রথমে চরে আটকে যায়। পরবর্তীতে শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানায়, জাহাজটি বর্তমান অবস্থান পরিবর্তন করে নিকটবর্তী লারাক দ্বীপে সরে গেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটি কীভাবে বা কাদের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়েছে, সে বিষয়ে তেহরান বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
গত ১১ মার্চ ২৩ জন নাবিকসহ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় ‘ময়ূরী নারি’ জাহাজটি লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলার তীব্রতায় জাহাজে থাকা ৩ জন নাবিক নিখোঁজ হন, যাদের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে বাকি ২০ জন নাবিককে সফলভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে নিরাপদে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ফিরে গেছেন।
থাইল্যান্ডের মালিকানাধীন এই বাণিজ্যিক জাহাজটি ইরানি দ্বীপে আটকে পড়ার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরণের প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে এ ধরণের হামলা আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ ৩ নাবিকের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে থাই কর্তৃপক্ষ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সূত্র: সিএনএন ও প্রেস টিভি।
হরমুজ প্রণালি যৌথভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে
