গুগল-অ্যাপলসহ ১৮ মার্কিন প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি ইরানের

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এক নজিরবিহীন মোড় নিয়েছে। এবার সরাসরি যুদ্ধের ময়দান থেকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে মাইক্রোসফট, গুগল, মেটা এবং অ্যাপলের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১৮টি মার্কিন প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিয়েছে ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। 

বুধবার (১ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে এই হুমকি কার্যকর হবে বলে চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নির্দিষ্ট ১৮টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রয়েছে-মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, মেটা (ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম), টেসলা, বোয়িং, ইন্টেল, আইবিএম, ডেল, এইচপি, সিসকো, ওরাকল, জেপি মরগান চেজ এবং জেনারেল ইলেকট্রিক।

আইআরজিসি-র দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সম্পন্ন এই মার্কিন কোম্পানিগুলো ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে পেন্টাগনকে সরাসরি কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘ইরানে পরিচালিত সন্ত্রাসী হামলার জবাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো এখন ধ্বংসের অপেক্ষায় থাকুক। আমরা এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিজেদের জীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে কর্মস্থল ত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি।’

সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে মাইক্রোসফট, অ্যাপল এবং গুগল-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল কর্পোরেট অফিস ও শোরুম রয়েছে। আইআরজিসি সরাসরি সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায় ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন কর্মীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, একই দিনে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন,‘এই যুদ্ধ কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্পের শর্ত অনুযায়ী শেষ হবে।’ ইরানে সরাসরি স্থল সেনা পাঠানোর বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু না বললেও জানান, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুত।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ আরও দাবি করেন যে, ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ‘চলছে এবং তা আরও শক্তিশালী হচ্ছে’। তবে ইরান শুরু থেকেই ওয়াশিংটনের সাথে সরাসরি আলোচনার খবর ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে আসছে।

FJ
আরও পড়ুন