ইরানি ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ০৩ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পিএম

ইরানের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ 'নোবিটেক্স'-সহ দেশটির চারটি ডিজিটাল অ্যাসেট এক্সচেঞ্জের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ। মূলত একটি চুক্তিতে রাজি হতে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির নতুন প্রচেষ্টা হিসেবে ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে, কালো তালিকাভুক্ত হওয়া এই চারটি এক্সচেঞ্জের মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নোবিটেক্স, যা ২০২৫ সালে ইরানের মোট ক্রিপ্টো লেনদেনের প্রায় অর্ধেক সম্পন্ন করেছিল এবং এর সাথে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সম্পদ সম্পৃক্ত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত অন্য তিনটি এক্সচেঞ্জ হলো—ওয়ালেক্স, বিটপিন এবং রামজিনেক্স।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানান, তেহরানের আর্থিক খাতকে লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখার ট্রাম্প প্রশাসনের যে প্রচেষ্টা, এটি তারই অংশ। অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের অভিযান ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধের পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের সক্ষমতাও ব্যাহত করছে।

অর্থনৈতিক এই নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা তেহরানের সাথে নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তি করার মার্কিন প্রচেষ্টাকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

জানা গেছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করা একটি ট্যাংকারকে অচল করতে যুক্তরাষ্ট্র 'হেলফায়ার' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা এই অঞ্চলে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা প্রতিহত করেছে এবং ইরানের কেশম দ্বীপের বেশ কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

এর জবাবে ইরানের আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সূত্র: সিবিএস নিউজ, রয়টার্স

SN
আরও পড়ুন