ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে এর আগে যেসব যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে, তার কোনোটিই শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি চুক্তিটিও আলোর মুখ দেখেনি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংক ‘স্টিমসন সেন্টার’-এর মিডল ইস্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর রেন্দা স্লিম।
রেন্দা স্লিম জানান, ইসরায়েল সবসময়ই দক্ষিণ লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান ও তৎপরতা চালানোর স্বাধীনতা দাবি করে আসছে। তাদের মূল লক্ষ্য—দক্ষিণ লেবাননে স্বাধীনভাবে হিজবুল্লাহর সামরিক সম্পদ ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের টার্গেট করা। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হিজবুল্লাহ এবার যেকোনো নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনাদের প্রকৃত প্রত্যাহারের ব্যাপারে শক্তিশালী গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা চাইবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য যেকোনো যুদ্ধবিরতি ঘোষণার জবাবে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন তোলা হবে। তারা জানতে চাইবে—"আমরা যদি দক্ষিণ লেবানন ছেড়ে যাই, তবে ইসরায়েলও যে সেখান থেকে তাদের সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেবে, তার গ্যারান্টি বা জামিনদার কে?"
একই সাথে, ইসরায়েল লেবাননের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানাবে এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলী (দাহিয়াহ) বা লেবাননের অন্য কোথাও আকস্মিক হামলা চালাবে না—এই বিষয়ে নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি ছাড়া হিজবুল্লাহ কোনো স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাবে না বলে মনে করছেন এই মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ। সূত্র: আল জাজিরা
মার্কিন কংগ্রেসে বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প