শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ইরানের মাটি, স্বাধীনতা ও বর্তমান শাসনব্যবস্থা রক্ষা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। বিমানবাহিনীর এক সাহসী পাইলটের শাহাদাতে দেওয়া শোকবার্তায় তিনি সেনাসদস্যদের এই দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেন।
মেজর জেনারেল হাতামি বলেন, ইরানের সেনাবাহিনী দেশ ও জাতির সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতিতে পুরোপুরি অটল রয়েছে। যেকোনো বিদেশি আগ্রাসীদের বিরুদ্ধে মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত।
সম্প্রতি ইরানের বিমানবাহিনীর 'সুখোই-২৪' যুদ্ধবিমানের বীর পাইলট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (সেকেন্ড ক্লাস) মাজিদ কাজেমি শাহাদাতবরণ করেন। তার এই আত্মত্যাগে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক সেনাসদস্যদের বীরত্ব নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেন সেনাপ্রধান।
জেনারেল হাতামি স্মরণ করিয়ে দেন, বিমানবাহিনী ঐতিহাসিকভাবেই ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল দুর্গ হিসেবে কাজ করে আসছে। আট বছরের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক বিভিন্ন সংঘাতে শত্রুর অত্যাধুনিক অস্ত্রের সামনেও তারা সাহসের পরিচয় দিয়েছে।
তিনি জানান, শহীদ মাজিদ কাজেমি আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালিয়ে বিমানবাহিনীর অদম্য শক্তির প্রমাণ দিয়েছেন। শত্রুর ভারী গোলাবর্ষণ ও আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতিক্রম করে তিনি এই সাহসিকতা দেখান।
সেনাপ্রধান আরও বলেন, শহীদ কাজেমি মূলত ফাকুরি, দোরান, সাত্তারি ও লাশকারির মতো ইরানের কিংবদন্তি শহীদ পাইলটদের পথই অনুসরণ করেছেন। তারা ইরানের আকাশসীমাকে শত্রুমুক্ত রাখার যে শিক্ষা দিয়ে গেছেন, তরুণ প্রজন্ম তা ধারণ করছে।
উল্লেখ্য, কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফল অভিযান পরিচালনা শেষে ফেরার পথে পারস্য উপসাগরের ওপর শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শহীদ হন পাইলট কাজেমি। দীর্ঘ কয়েক মাস পর সম্প্রতি তার পবিত্র মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: পার্সটুডে (ইরনা সূত্রে প্রাপ্ত)
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সব লক্ষ্য ব্যর্থ
পতনের মুখে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প! ইসরায়েলি বিশ্লেষক
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩, আহত ২৫
অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিতে যুক্তরাষ্ট্র
কেন টোকিওর বিকল্প রাজধানী খুঁজছে জাপান?
গাজার গণহত্যায় ইসরায়েলকে অস্ত্র দিচ্ছে ভারত : অ্যামনেস্টি