ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ (জাবাল আল-ফাস) স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে হামলা চালাতে পারে, তা নিয়ে সামরিক বিশ্লেষকেরা বিভিন্ন সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন। নাতাঞ্জের কাছে অবস্থিত এই ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটি ইরানের অন্যতম কঠিন সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনার প্রায় দুই কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্থাপনাটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভূ-পৃষ্ঠের অন্তত ১০০ মিটার গভীরে নির্মিত এবং পাহাড়ি শিলাস্তর এটিকে বিমান হামলা থেকে বিশেষভাবে সুরক্ষিত করে রেখেছে।
ইরানের দাবি, এখানে উন্নতমানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সেন্ট্রিফিউজ সংযোজন ও তৈরির জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সন্দেহ, ভবিষ্যতে এটি গোপন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এত গভীরে থাকা স্থাপনায় সরাসরি বিমান হামলা চালিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। যুক্তরাষ্ট্রকে তাই ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ, বিদ্যুৎ, বায়ু চলাচল, সরবরাহব্যবস্থা ও অন্যান্য সহায়ক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করার মতো বিকল্প বিবেচনা করতে হতে পারে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে হামলার হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে তেহরান সতর্ক করেছে, ইরানের পারমাণবিক বা স্পর্শকাতর স্থাপনায় মার্কিন হামলা হলে তা যুদ্ধের পরিধি আরও বাড়িয়ে দেবে।
মূল কথা হলো- পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের গভীর ভূগর্ভস্থ অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি সরাসরি ধ্বংস করা কঠিন; ফলে বিমান হামলা, প্রবেশপথ অচল করা কিংবা স্থাপনাটির সহায়ক অবকাঠামো অকার্যকর করার মতো একাধিক সামরিক বিকল্প নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
ভারতের উত্তরাখণ্ডে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে মাদ্রাসা, সিলগালা ১৭টি
‘ইরান যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে নজর দিবে ট্রাম্প’