২০২৩ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত প্রায় ৯ হাজার

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় ৮ হাজার ৯২০ জন নিহত এবং আরও ৩০ হাজার ৫৯৫ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মোট হতাহতের মধ্যে চলতি বছরের ২ মার্চের পরই ৪ হাজার ৩৫৮ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৩৫৯ জন আহত হয়েছেন। ২ মার্চকে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নতুন করে তীব্র হওয়ার সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২ মার্চের পর অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি চিকিৎসা দলের ওপর ১৭৯টি হামলা হয়েছে। এসব হামলায় ১৩৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টেও ইসরায়েলি হামলার কারণে লেবাননে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২২ হাজার মানুষ বিভিন্ন সম্মিলিত আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন।

এদিকে জুনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুটি ‘শান্তি’ চুক্তি হলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা ও সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। মার্চ থেকে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের একটি অংশে ‘বাফার জোন’ প্রতিষ্ঠার কথা বলে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। ২৬ জুনের কাঠামোগত চুক্তিতে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের শর্ত থাকলেও এতে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল না।

হিজবুল্লাহর নেতা নাঈম কাসেম ওই কাঠামো প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলকে আগে দক্ষিণ লেবানন থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়েও দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার কাফর রেমানে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনজন নিহত ও ২৩ জন আহত হন বলে লেবাননের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, কৌশলগত আলি আল-তাহের সেতুর নিচের সুড়ঙ্গে থাকা হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের তারা সরিয়ে দিয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, একই দিনে টায়ার ও নাবাতিয়েহ জেলার সাতটি শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরেও দক্ষিণ লেবাননের জাওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে।

এমসিএইচ
আরও পড়ুন