ইরানকে ‘আগ্রাসী’ হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগে যুক্তরাজ্যের কঠোর সমালোচনা করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের শিকার হওয়ার পরও ইরানকে আক্রমণকারী হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করছে লন্ডন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বাঘাই বলেন, যুক্তরাজ্যের সমর্থন বা অংশগ্রহণে সংঘটিত অবৈধ হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে অঞ্চলজুড়ে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, মাত্র নয় মাসের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে দুই দফা অবৈধ আগ্রাসনের পরও দেশটি যখন আলোচনার পথ অনুসরণ করছিল, তখন ইরানকে ‘আগ্রাসী’ হিসেবে তুলে ধরা ভুক্তভোগী ও আক্রমণকারীর ভূমিকাকে উল্টে দেওয়ার শামিল।
বাঘাই আরও অভিযোগ করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বৈরী অবস্থানের এটি আরেকটি উদাহরণ। নিজের বক্তব্যে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যুক্তরাজ্য ও তার মিত্রদের আক্রমণকারী হিসেবে এবং নাৎসি জার্মানিকে শান্তির রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করার মতোই অযৌক্তিক এই বর্ণনা।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাজ্যের বক্তব্য
ইরানি মুখপাত্রের এই মন্তব্যের আগে ১৩ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এড মিলিব্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার কথা জানান।
মিলিব্যান্ডের বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় এক মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি শোক প্রকাশ করেন। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের কথিত আগ্রাসন বন্ধের বিষয়েও আলোচনা করেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় বাঘাইয়ের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর ভূমিকার সমালোচনা উঠে এসেছে। তবে ইরান ও যুক্তরাজ্যের পরস্পরবিরোধী অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি
কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য
জেরুজালেমে কলম্বিয়ার দূতাবাস খোলার নিন্দা ইরানের