ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নতুন করে উদ্বেগে রয়েছেন দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকেরা। তাঁদের আশঙ্কা, নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থীরা জয়ী হলে তাঁদের ওপর উসকানি ও চাপ আরও বাড়বে। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের নতুন বসতি গড়ার উদ্যোগ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মাধ্যমে ঠেকাতে পারলেও ভবিষ্যৎ সংঘাতের আশঙ্কা কাটেনি তাঁদের।
উত্তর ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত গ্রাম মাজদ আল-ক্রুমে গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা ঘোড়া, অফ-রোড যানবাহন ও পায়ে হেঁটে পাইনগাছে ঘেরা একটি পাহাড়ের চূড়ায় জড়ো হতে শুরু করেন। তাঁদের এই জমায়েত ছিল গ্রামের জমিতে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ।
এর কয়েক সপ্তাহ আগে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপনকারীরা গ্রামটির জমিতে নতুন একটি আউটপোস্ট বা অস্থায়ী বসতি গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। গ্রিন লাইনের এ পাশে এ ধরনের উদ্যোগগুলোর মধ্যে এটি ছিল প্রথম দিকের একটি প্রচেষ্টা।
ঘটনার পরপরই সক্রিয় হয়ে ওঠে গ্রামের পপুলার কমিটি। তারা বৈঠক করে এবং প্রতিদিন বিক্ষোভের ডাক দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারাবাহিক ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মুখে শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হন বসতি স্থাপনকারীরা।
তবে এই সাফল্য সত্ত্বেও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না গ্রামটির ফিলিস্তিনি নাগরিকদের। তাঁদের আশঙ্কা, ইসরায়েলের রাজনীতিতে কট্টর ডানপন্থীদের প্রভাব বাড়লে তাঁদের ভূমি, অধিকার ও নিরাপত্তা আরও বেশি হুমকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে বসতি স্থাপনকারীদের তৎপরতা এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে উসকানি বাড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
মাজদ আল-ক্রুমের ঘটনা স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের শক্তির দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে এটি ইসরায়েলের নির্বাচনী রাজনীতি, বসতি স্থাপনকারীদের তৎপরতা এবং দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগের চিত্রও তুলে ধরেছে।
সূত্র: আল জাজিরা।
নেতানিয়াহুকে ‘ঈশ্বরের মতো’ মনে করেন তার সমর্থকরা
জিডিপিতে এ বছর ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ