ইউরোপের সবচেয়ে শুষ্ক ও উষ্ণ গ্রীষ্মের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই করে হাঙ্গেরির ঐতিহ্যবাহী পাপরিকা মসলার ফসল বাঁচিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা ২০ ঘণ্টা পরিশ্রম করে অভাবনীয় ফলন পেয়েছেন কৃষক নিকোলেত্তা পাইশান নাগি ও লাসলো পাইশান।
বিদ্যুতের লাইনের কারণে সেচ সুবিধা না থাকলেও গাছের গোড়ার মাটি বারবার আলগা করে আর্দ্রতা ধরে রেখেছিলেন তারা।
হাঙ্গেরীয় রান্নায় অপরিহার্য এই পাপরিকা চাষ গত কয়েক দশকে ভয়াবহভাবে কমে গেছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালে ১৩ হাজার ২৯ হেক্টর জমিতে চাষ হলেও ২০২৪ সালে তা নেমে এসেছে মাত্র ১ হাজার ৪১০ হেক্টরে।
চীন ও দক্ষিণ আমেরিকার সস্তা আমদানির পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্র খরা স্থানীয় কৃষকদের কোণঠাসা করে তুলেছে।
এ ছাড়া তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক পরিবার এখন চাষাবাদ ছেড়ে অন্য পেশায় যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন।
ষোড়শ শতকে আমেরিকায় উৎপাদিত মরিচ হাঙ্গেরিতে আসার পর থেকেই এটি দেশটির জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম প্রতীকে পরিণত হয়।
তবে তরুণ প্রজন্মের রান্নার অভ্যাসে পরিবর্তন আসায় এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের জনপ্রিয়তা কমায় এই শিল্প আরও হুমকিতে পড়েছে।
সূত্র: এএফপি
রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় আহত ১৪ সাংবাদিক
১০ বছরের সম্পর্কের ইতি, কারণ জানালেন প্রীতম-শেহতাজ