লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে আজ। তবে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে লেবাননে এবার ঈদের আনন্দ ম্লান এবং উৎসবের আমেজ পরিণত হচ্ছে চোখের পানি দিয়ে।
মঙ্গলবার দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীল হামলায় শিশুসহ অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার অঙ্গীকার করার পর হামলার এ ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৭ মে) লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার লেবাননের বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, অবকাঠামো ও সীমান্তঘেঁষা অঞ্চলে একযোগে হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় সাম্প্রতিক সময়ে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলোর একটি। হামলার পর বহু এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা হিজবুল্লাহর শতাধিক স্থাপনা ও যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়েছে। মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিকে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান বলেও উল্লেখ করেছে তারা।
এর আগে, সোমবার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি জানান, লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী স্থলভাগে বড় আকারের অভিযান পরিচালনা করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে। উত্তর ইসরাইলের জনবসতিকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে সুরক্ষা দিতেই নিরাপত্তা অঞ্চল শক্তিশালী করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে চলমান যুদ্ধবিরতি বারবার লঙ্ঘনের ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান জটিল কূটনৈতিক আলোচনাও এতে বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এর মধ্যেই মঙ্গলবার দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও সমুদ্রপথে মাইন পেতে রাখা নৌযানকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূএ: বিবিসি।
মার্কিন পর্যটন খাতে বড় বিপর্যয়
১০ ভারতীয় নাবিককে মুক্তি দিলো ইরান