প্রায় ছয় মাসের বেশি সময় সমুদ্রে অবস্থান এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ ও নৌ-অবরোধে অংশ নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। দেশে ফেরার আগে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) থাইল্যান্ডের উপকূলে নোঙর করে বিশাল আকৃতির এই রণতরী। এটি দেখতে সমুদ্রতীরে ভিড় করেন স্থানীয় অনেক মানুষ। তবে সরাসরি দেখে রণতরীটির বাহ্যিক অবস্থা নিয়ে বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেন তারা।
প্রায় ১১০০ ফুট দীর্ঘ রণতরীটির নিচের অংশে বেশ কিছু জায়গায় রং উঠে মরিচা ধরতে দেখা যায়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঝকঝকে ছবির সঙ্গে বাস্তবে দেখা রণতরীটির চেহারায় পার্থক্য থাকায় অনেকের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থান করা যুদ্ধজাহাজের ক্ষেত্রে এমন মরিচা ধরা অস্বাভাবিক নয়। আব্রাহাম লিংকন গত বছরের নভেম্বরে সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করে। এরপর টানা প্রায় ২৭০ দিন সমুদ্রে থেকে বিভিন্ন সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছে রণতরীটি।
বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে এবং নৌ-অবরোধে অংশ নেওয়ার কারণে দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থান করতে হয়েছে এটিকে। ফলে রণতরীর পানির নিচের অংশে মরিচা পড়া এবং বাহ্যিক চাকচিক্য কমে যাওয়া স্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক ক্যাপ্টেন কার্ল স্কুসজার এ বিষয়ে সিএনএনকে বলেন, আব্রাহাম লিংকনের মতো বড় যুদ্ধজাহাজ ৬০ দিন বা তার বেশি সময় সমুদ্রে মোতায়েন থাকলে পানির নিচের অংশে মরিচা পড়া অস্বাভাবিক নয়।
তিনি জানান, কোনো যুদ্ধজাহাজ সক্রিয়ভাবে সমুদ্রে মোতায়েন থাকলে পানির নিচের অংশে নিয়মিতভাবে মরিচা পরিষ্কার বা রং করা সম্ভব হয় না। কারণ এ ধরনের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জাহাজের পানির স্তরের নিচে নামতে হয়। পরে মরিচা পরিষ্কার করে নতুন করে রং করতে হয়।
তেহরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজ খুলবে না: আজিজি
‘ট্রাম্প সবচেয়ে বেশি নিজের কথাই ভাবেন’
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে আমিরাত প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ