রুশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি অবকাঠামো, বিদ্যুৎ সংকটে ইউক্রেন

আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম

রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি অবকাঠামোর কারণে চলতি গ্রীষ্মে ইউক্রেনকে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করেছে দেশটির জ্বালানি খাতভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ডিক্সি গ্রুপ। সংস্থাটি বলেছে, বিদ্যুৎ আমদানি বৃদ্ধি এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও চাহিদা পূরণে ঘাটতি থেকে যেতে পারে।

ডিক্সি গ্রুপের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আবহাওয়া সহনীয় থাকলে এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন কোনো বড় ধরনের ক্ষতি না হলে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বিদ্যুতের ঘাটতি ০.৭ গিগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তবে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলে এ ঘাটতি বেড়ে ২.৪ গিগাওয়াটে উন্নীত হতে পারে।

বিশ্লেষকরা জানান, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রধান ভরসা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে চলমান বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। এতে উৎপাদন সাময়িকভাবে কমে যাওয়ায় সরবরাহে চাপ বাড়বে।

ডিক্সি গ্রুপের মতে, দৈনিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে ঘণ্টাভিত্তিক বিদ্যুৎ বিভ্রাট কার্যত অনিবার্য হয়ে উঠবে। এমনকি রাতের সময়ও বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যখন সাধারণত চাহিদা সবচেয়ে কম থাকে।

সংস্থাটি আরও সতর্ক করে বলেছে, উচ্চ তাপমাত্রার পাশাপাশি বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে নতুন ক্ষয়ক্ষতি হলে ১৫.৮ গিগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ঘাটতি ৬.২ গিগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, যা মোট চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ। ফলে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি গ্রীষ্মজুড়ে উদ্বেগের কারণ হয়ে থাকতে পারে। ২০২৫-২০২৬ সালের শীতে, যখন রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের অর্ধেকেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

সূত্র: রয়টার্স

আরও পড়ুন