সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫-এ সংশোধনী আনা হয়েছে। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশে এ সংশোধনী অধ্যাদেশ জারি করা হয়। সংশোধনীতে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় কমিশনে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে যুক্ত করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা হলে অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ–সংক্রান্ত সব প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে এই সচিবালয়।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন।
এর আগে ২০ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশের খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ৩০ নভেম্বর অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু বিচারকাজে নিয়োজিত যাঁরা আছেন, সেই বিচারকদের বিষয়গুলো সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের হাতে চলে যাবে। কিন্তু বিচার বিভাগের যাঁরা অন্য কোনো জায়গায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন, যেমন নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, আইন কমিশনের মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন, তাঁদের নিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা ইত্যাদি বিষয় আইন মন্ত্রণালয়ের হাতেই থাকবে।
সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় কমিশন
নিম্নবর্ণিত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় কমিশন থাকবে, যথা-
- প্রধান বিচারপতি, যিনি উহার চেয়ারপারসনও হবেন;
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা উপদেষ্টা;
- বাংলাদেশের সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি;
- প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের ১ (এক) জন বিচারক;
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন; ও
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল।
চানখাঁরপুলে ৬ জনকে হত্যা: হাবিবুরসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
