আদালত প্রাঙ্গনে পাওয়া চিরকুট ঘিরে আতঙ্ক, থানায় জিডি

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৪ এএম

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বোমা হালার চিরকুট আইনজীবীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে আতঙ্ক। ‘আদালত এখন বন্ধ হবে। আবার জানুয়ারিতে চালু হবে। আর যদি খোলা হয় তাহলে বম মারা হবে’—এমন হুমকিসূচক লেখা সংবলিত একটি চিরকুট ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ সিনিয়র সিভিল জজ আদালত প্রাঙ্গণে জজের কক্ষে প্রবেশপথের দেয়ালে সাঁটানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। একই ধরনের আরেকটি চিরকুট আদালতের এএসএম মেহেদী হাসান নামে এক আইনজীবীর কক্ষ থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) চিরকুট দুটো নজরে আসার পর আদালত প্রাঙ্গণে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ঈশ্বরগঞ্জ সিনিয়র সিভিল আদালতের নাজির রবিউল ইসলাম ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পাশাপাশি ঈশ্বরগঞ্জ বার অ্যাসোসিয়শনের পক্ষ থেকেও আরেকটি জিডি করা হয়। 

নাম না করার শর্তে একাধিক বিচারপ্রার্থী বলেন, আদালতের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা নেই এটা খুবই দুঃখজনক। যদি সিসি ক্যামেরা থাকতো তাহলে যে এই কাজটি করেছে তাকে চিহ্নিত করা যেত। একই ধরনের দুটো চিরকুট বিষয়টি কিছুটা জটিলও মনে হচ্ছে। 

এ প্রসঙ্গে ঈশ্বরগঞ্জ সিনিয়র সিভিল আদালতের অ্যাডভোকেট ও সরকারি কৌশলি (এলজিপি) এ এস এম সারোয়ার জাহান বলেন, আদালত প্রাঙ্গণে হুমকিসূচক চিরকুট পাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। এতে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ধরনের কাজ যে করেছে তাকে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। 

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম বলেন, ‘আদালত প্রাঙ্গণ ও এক আইনজীবীর কক্ষে পাওয়া হুমকিসূচক চিরকুটের ঘটনায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত প্রাঙ্গণকে পুলিশি টহল ও গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা  প্রক্রিয়াধীন।’

HN
আরও পড়ুন