শিরোপা রক্ষার লড়াইয়ের শুরুতেই বিপদে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সেটাও আবার যুক্তরাষ্ট্রের মতো নবীন দলের বিপক্ষে। তবে শেষমেশ সে ধাক্কা কাটিয়ে ভারত পেয়েছে ২৯ রানের কষ্টার্জিত জয়।
শুরুতে ব্যাট করতে নামা ভারত ভয়াবহ অবস্থায় পড়ে গিয়েছিল৷ এক সময় স্কোর ছিল ৭৭ রানে ৬ উইকেট। সেখান থেকে ভারত করে ৯ উইকেটে ১৬১ রান। সূর্যকুমার অপরাজিত থাকেন ৪৯ বলে ৮৪ রানে।
জবাবে যুক্তরাষ্ট্র করে ৮ উইকেটে ১৩২ রান। তারা লড়াই করেছে। তবে লক্ষ্য ছোঁয়ার খুব কাছাকাছি যেতে পারেনি।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ম্যাচটিতে যুক্তরাষ্ট্র অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল টস জিতে বোলিং নেন। গ্যালারিতে থাকা বেশিরভাগ ভারতীয় সমর্থক বড় শটের আশা করেছিলেন। কিন্তু শুরুতেই ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং।
বিশ্বের এক নম্বর টি–টোয়েন্টি ব্যাটার অভিষেক শর্মা প্রথম বলেই আউট হন। এরপর পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে ভয়াবহ ধাক্কা খায় ভারত। শ্যাডলি ফন শকউইক পাঁচ বলে নেন তিন উইকেট। তখন ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪৬ রানে ৪ উইকেট।
ঈশান কিশান ২০ রান করেন। তিলক ভার্মা করেন ২৫ রান। তবে কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। সেই ওভারেই শিবম দুবে শূন্য রানে ফেরেন।
আরও খারাপ হতে পারত। সূর্যকুমার ১৫ রানে থাকাকালে শুভাম রাঞ্জানে তার ক্যাচ ফেলেন। তারই মাসুল দিতে হয় দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলতে আসা যুক্তরাষ্ট্রকে। সূর্যকুমারই যে শেষ পর্যন্ত ভারতকে এই অকূল পাথার তরিয়ে দেন!
অন্য প্রান্তে অবশ্য উইকেটপতন থামছিলই না। রিঙ্কু সিং, হার্দিক পান্ডিয়া ও অক্ষর প্যাটেল আউট হন বড় শট খেলতে গিয়ে।
চাপের মধ্যেও শান্ত থাকেন সূর্যকুমার। তিনি ৩৬ বলে ফিফটি করেন। শেষ ওভারে সৌরভ নেত্রাভালকারের কাছ থেকে আদায় করে নেন ২১ রান।
এই ম্যাচে খেলেননি জসপ্রিত বুমরাহ। অসুস্থতার কারণে তিনি বাদ পড়েন। হার্শিত রানাও চোটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে যান। তার বদলে দলে আসা মোহাম্মদ সিরাজ দারুণ বোলিং করেন। তিনি নেন ৩ উইকেটে ২৯ রান। আরশদীপ সিংও উইকেট পান। পাওয়ারপ্লেতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৩১ রানে ৩ উইকেটে আটকে রাখেন৷
এরপরও অবশ্য সফরকারীরা লড়াই করেছে। সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি করেন ৩৭ রান। মিলিন্দ কুমার করেন ৩৪ রান। দুজনে মিলে ৫৮ রানের জুটি গড়েন। জুটি ভাঙার পর ম্যাচ পুরোপুরি ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। শেষমেশ জয়ের হাসি হেসেই মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক ভারত।
শিল্পীরা রাজনীতিতে জড়ালে অর্জন ও সম্মান শূন্য হয়ে যায়
