অবশেষে নির্ধারিত হলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকারি বাসভবন। রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’কেই নিজের সরকারি বাসভবন হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি। মূলত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধাকে প্রাধান্য দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যমুনায় অবস্থান করছেন সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বাসভবনটি ছেড়ে দেবেন। এরপর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ধোয়া-মোছার কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী সেখানে সপরিবারে উঠবেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রী যমুনায় থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সাবেক প্রধান উপদেষ্টা এ মাসের শেষ দিকেই বাসা ছাড়বেন। দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করে ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর বসবাসের উপযোগী করা হবে।
নিরাপত্তার খাতিরে যমুনা কমপ্লেক্সের পাশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলোবাড়ি দুটি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও, আসন্ন রমজানের ইফতার মাহফিল এবং ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান যমুনায় আয়োজন করতে আগ্রহী।
উল্লেখ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছিল গণভবন। তবে ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর সেটিকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিকল্প আবাসের প্রয়োজন দেখা দেয়।
এদিকে, নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বাসভবন বরাদ্দের কাজও চূড়ান্ত করেছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে ঈদুল ফিতরের পর তাঁরা নির্ধারিত বাসায় উঠতে পারবেন বলে জানা গেছে।
অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
পোশাক শিল্পের সমস্যা সমাধানে সুপারিশ চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী
