মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা সামরিক রসদ দিয়েই দীর্ঘ সময়, এমনকি অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে 'মাঝারি এবং মাঝারির চেয়ে কিছুটা উন্নত' মানের অস্ত্রের বিশাল মজুত রয়েছে।
ট্রাম্প লিখেছেন, 'আমাদের কাছে এই অস্ত্রের প্রায় অসীম মজুদ আছে। যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্রে সমৃদ্ধ এবং বড় বিজয় নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।'
ওয়াশিংটন ডিসির স্থানীয় সময় মাঝরাতে (গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৫টা) দেওয়া ওই পোস্টে তিনি একই সঙ্গে তাঁর পূর্বসূরী জো বাইডেন-এর সমালোচনা করেন।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেনকে অতিরিক্ত পরিমাণে আধুনিক মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব কৌশলগত ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষ করে, বাইডেনের মেয়াদের শেষ দিকে ইউক্রেনকে সরবরাহ করা হয় দীর্ঘ পাল্লার এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র, যা প্রায় ১৯০ মাইল বা ৩০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানে হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, দেশজুড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা হিউম্যান রাইটস একটিভিস্ট ইন ইরান (এইচআরএএনএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৭৪২ জনই বেসামরিক নাগরিক, যার মধ্যে ১৭৬ জন শিশু রয়েছে।
এদিকে পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও আক্রমণ জোরদার করেছে। সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় এসব দেশ চাপে পড়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া কুয়েতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। একইসঙ্গে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন-এ ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৬ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
লেবাননে ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরু
ওমান উপসাগরে ইরানের সব যুদ্ধজাহাজ ধংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
