তুরস্ক, সাইপ্রাস এবং আজারবাইজানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা চালানোর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানো হয়নি।
সোমবার (৯ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘেই এ তথ্য জানান।
ইসমাঈল বাঘেই বলেন, ‘গত এক সপ্তাহে তুরস্ক, সাইপ্রাস কিংবা আজারবাইজানে ইরান থেকে কোনো আক্রমণ করা হয়নি। এমনকি আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে এসব দেশের দিকে কোনো অভিযান শুরু করা হয়নি।’ তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, প্রকাশিত হামলার খবরগুলোর কিছু অংশ শত্রুপক্ষ দ্বারা পরিকল্পিত হতে পারে। বাঘেইর মতে, ‘শত্রুপক্ষ আমাদের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সুসম্পর্ক নষ্ট করতে এবং বিভেদ সৃষ্টি করতে এসব সাজানো হামলা ঘটিয়ে থাকতে পারে।’
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মুখে বড় সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে তুরস্ক। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, আঙ্কারা উত্তর সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ (F-16) যুদ্ধবিমান এবং অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই যুদ্ধবিমানগুলো মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে আঙ্কারা।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের অস্বীকার এবং তুরস্কের এই সামরিক শক্তি প্রদর্শন মধ্যপ্রাচ্য ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলের উত্তেজনাকে নতুন এক মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে সাইপ্রাস ও আজারবাইজানের মতো কৌশলগত স্থানে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়া আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার ব্যয়! যুদ্ধ এখন ট্রাম্পের গলার কাঁটা
ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মী সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া
