ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কূটনৈতিক মিশনে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এই হামলা চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত ইরান অভিযানের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত ‘বাগদাদ ডিপ্লোম্যাটিক সাপোর্ট সেন্টার’ লক্ষ্য করে মোট ছয়টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়। মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঁচটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করতে সক্ষম হলেও একটি ড্রোন সরাসরি কূটনৈতিক কম্পাউন্ডে আঘাত হানে। হামলার সময় সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও কর্মীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত এই হামলায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামক ইরান সমর্থিত একটি জোট এই হামলা চালিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া ভয়াবহ যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তারা এই আক্রমণ চালায়। ওই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।
পেন্টাগন জানিয়েছে, চলমান এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ১৪০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং প্রাণ হারিয়েছেন ৭ জন। গত এক সপ্তাহে কুয়েত সিটি, দুবাই এবং রিয়াদের মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতেও সন্দেহভাজন ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসের উপরের তলায় অবস্থিত সিআইএ (CIA) স্টেশনে হামলার ঘটনায় ভবনটির একাংশ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তুরস্ক ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে অপরিহার্য নয় এমন কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ১৬টি মাইন স্থাপনকারী নৌযান ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
