ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার তীব্র বিরোধিতা করায় দেশ দুটির সঙ্গে স্পেনের কূটনৈতিক সম্পর্ক চূড়ান্ত অবনতির দিকে পৌঁছেছে। এর জেরে ইসরায়েল থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে স্পেন সরকার।
বুধবার (১১ মার্চ) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মঙ্গলবার স্পেনের সরকারি এক গেজেটে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলে নিযুক্ত স্প্যানিশ রাষ্ট্রদূতের পদের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটানো হয়েছে। স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেল আবিবে তাদের দূতাবাস এখন থেকে একজন ‘চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স’ বা অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান দ্বারা পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, আপাতত পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রদূত পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা স্পেনের নেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই স্পেন ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়।
গাজা যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ইসরায়েলি অস্ত্র বহনকারী কোনো বিমান বা জাহাজ স্পেনের আকাশপথ বা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে না বলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল মাদ্রিদ। গত মে মাসে স্পেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিলে ইসরায়েল ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর স্পেন এর প্রকাশ্য বিরোধিতা করে। এর ফলে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার স্পেনকে ‘স্বৈরশাসকদের সহযোগী’ হিসেবে অভিযুক্ত করেন।
উল্লেখ্য, গত মে মাস থেকেই স্পেনে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতও অনুপস্থিত রয়েছেন এবং বর্তমানে স্পেনে ইসরায়েলি দূতাবাসও একজন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। স্পেনের এই সর্বশেষ পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক লড়াই এক নতুন মাত্রায় পৌঁছাল। সূত্র: রয়টার্স।
ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় লেবাননে নিহত ১৯
ইরানের পরবর্তী লক্ষবস্তু মার্কিন প্রযুক্তি স্থাপনা
