ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা আগামী দিনগুলোতে পতনের সম্ভাবনা খুব কম। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই শনিবার (১৪ মার্চ) জানিয়েছে, তেহরানে শাসন পরিবর্তন করতে হলে বা তো স্থল সেনা অভিযান চালাতে হবে, বা দেশে ব্যাপক গণবিক্ষোভের সৃষ্টি হতে হবে। বর্তমানে এই দুটো বিকল্পই বাস্তবসম্মত নয় বলে গণমাধ্যমটি মনে করছে।
এই পরিস্থিতিতে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে এই যুদ্ধের মূল্যায়নে পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের প্রধান উদ্বেগ যুদ্ধের ফলে তেলের দাম ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর প্রভাব। অন্যদিকে, ইসরায়েল দাবি করছে, তারা সামরিক অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সম্ভাব্য সংঘাত শুরুর আগে এর ফলাফল নিয়ে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করেনি। এর প্রভাব ইতোমধ্যেই জ্বালানি বাজারে পড়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড পরিমাণ তেল উৎপাদন হলেও, মাত্র দুই সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে গ্যাসোলিনের দাম গ্যালন প্রতি ৬০ সেন্ট বেড়ে গেছে।
এই দামবৃদ্ধি ট্রাম্পের ‘সমৃদ্ধির স্বর্ণযুগ’ গড়ার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে। বাজারের উদ্বেগ কমাতে ট্রাম্প প্রশাসন কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এর আগে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইটের আশ্বাস বিনিয়োগকারীদের স্বস্তি দিতে ব্যর্থ হয়।
৩ দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ হামলা
১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেন কিম
