ইরানকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে চীনের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং। গতকাল মঙ্গলবার চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো অন্যায় পদক্ষেপ নিলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি এই মিথ্যা অভিযোগকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপাতে চায়, তবে চীন বসে থাকবে না। আমরা অবশ্যই এর দাঁতভাঙা জবাব দেব।’
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, চীন গোপনে ইরানকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করছে। এই দাবিকে ‘পুরোপুরি বানোয়াট’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন জিয়াকুন। তিনি জানান, চীন আন্তর্জাতিক আইন মেনেই বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে এবং অস্ত্র সরবরাহের এই রটনা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নষ্ট করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালী ও ইরান ইস্যু নিয়ে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে নতুন করে এই বাগযুদ্ধ বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ট্রাম্পের ‘ইকোনমিক ফিউরি’ নীতির জবাবে চীন যদি সত্যিই পাল্টা শুল্ক আরোপ করে, তবে তা দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য যুদ্ধের নতুন অধ্যায় শুরু করবে।
সূত্র: গালফ নিউজ
চীনের জ্বালানি ঘাটতি মেটাবে রাশিয়া: লাভরভ