জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ নিশ্চিত করেছেন যে, আপাতত জার্মানের মাটিতে দূরপাল্লার 'টমাহক' ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে না যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি জার্মানির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এআরডি (ARD)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি নিয়ে তার সাম্প্রতিক সমালোচনার সাথে এই সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই।
চ্যান্সেলর মার্জ জানান, মূলত সম্পদের স্বল্পতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, আমেরিকানদের কাছে বর্তমানে নিজেদের জন্যই পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র নেই। বস্তুনিষ্ঠভাবে বলতে গেলে, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবস্থা সরবরাহ করা কার্যত অসম্ভব। ২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জার্মানিকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যাতে ইউরোপ নিজস্ব ব্যবস্থা তৈরি না করা পর্যন্ত জার্মানির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বজায় থাকে।
সাক্ষাৎকারে মার্জ জার্মানি থেকে ৫,০০০ মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণাকে 'নতুন কিছু নয়' বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, বাইডেন প্রশাসনের আমলেই এই সেনাদের অস্থায়ীভাবে মোতায়েন করা হয়েছিল এবং তাদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অনেক আগে থেকেই আলোচনায় ছিল।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনার বিষয়ে মার্জ বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে কাজ করার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী এবং তার মন্তব্যের কারণে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়েনি। এছাড়া ন্যাটোর অধীনে মার্কিন পারমাণবিক সুরক্ষা বলয়ের প্রতিশ্রুতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। মার্জ পুনর্ব্যক্ত করেন যে, উত্তর আটলান্টিক জোটে (NATO) আমেরিকাই জার্মানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সূত্র: আলজাজিরা
৩৭ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত ভবন মেরামত করেছে ইরান