ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বললে 'খুশি' হবেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট

আপডেট : ২১ মে ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং বলেছেন, সুযোগ সৃষ্টি হলে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সঙ্গে কথা বলতে 'খুশি' হবেন। তার এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে বেইজিং-ওয়াশিংটন-তাইপে ত্রিমুখী সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে, তাইপে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ, সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী। বিশেষ করে তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বজায় রাখার প্রশ্নকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে। এই অঞ্চলের যেকোনো উত্তেজনা শুধু আঞ্চলিক নয়, বরং বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে তাইওয়ান।

এর আগে ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। সেই ইঙ্গিত সামনে আসার পর থেকেই নতুন করে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই সম্ভাব্য যোগাযোগ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সৌজন্য বিনিময় হবে না; বরং এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনের কৌশলগত অবস্থান সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা যেতে পারে।

চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে এবং তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্কের যেকোনো প্রচেষ্টার কড়া বিরোধিতা করে আসছে। বেইজিংয়ের দৃষ্টিতে এ ধরনের পদক্ষেপ ‘এক চীন নীতি’র পরিপন্থী এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত। সূত্র: আলজাজিরা

AS
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত