মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে, ঠিক সেই সময়ই ইসরায়েলের রাজনৈতিক মহলে আবারও যুদ্ধ ফের শুরু করার চাপ ও আগ্রহ ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাত্রা নতুন করে বেড়ে গেছে।
রিপোর্টে বলা হয়, মার্কিন অবস্থান যেখানে সামরিক হামলার হুমকি থেকে কিছুটা সরে এসে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ঝুঁকছে, সেখানে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোতে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার প্রবণতা দৃশ্যমানভাবে জোরালো হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তবে এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ ইসরায়েলের একক সিদ্ধান্তে কার্যকর করা সহজ হবে না।
এদিকে ইসরায়েলের একটি ডানপন্থি সংবাদমাধ্যমের উপস্থাপক শিমন রিকলিন সম্প্রতি ইরানে সম্ভাব্য নতুন হামলার পরিকল্পনা ও ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ স্থাপনার অবস্থান নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করে। পরে সংসদ সদস্যদের কঠোর সমালোচনার মুখে তিনি তার মন্তব্যকে ‘কাল্পনিক’ বলে ব্যাখ্যা দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহল যুদ্ধ পুনরায় শুরুর দিকে আগ্রহী হলেও বাস্তব কূটনৈতিক ও সামরিক সমীকরণে তাদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সীমিত। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ও অবস্থান ছাড়া বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করা কার্যত কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং তেলআবিবের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে এই ভিন্নমুখী টানাপোড়েন মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সূত্র: আলজাজিরা
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনে ৪২ বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র