মধ্য-আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় একটি ঐতিহ্যবাহী সোনার খনি ধসে অন্তত ২৮ জন খনি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই একই পরিবারের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (২৩ মে) ভোরের দিকে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় বেঙ্গো প্রদেশের একটি অনিয়ন্ত্রিত খনিতে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
একই পরিবারের ১৩ জনের মৃত্যু
অ্যাঙ্গোলার জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম টিপিএ-কে (TPA) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্থানীয় পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, খনিটি থেকে শ্রমিকরা সোনা উত্তোলন করছিলেন।
এ সময় হঠাৎ করেই খনির একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। উদ্ধারকারী বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ২৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৩ জনই একই পরিবারের সদস্য।
নিহতদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। খনির ভেতরে আর কোনো মরদেহ আটকে আছে কি না, তা নিশ্চিতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
অবৈধ খনি ও অভিবাসী শ্রমিকদের ভিড়
হীরা, সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান খনিজের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার থাকায় অ্যাঙ্গোলায় প্রতি বছর প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষ কাজের সন্ধানে আসেন।
বিশেষ করে খনি সমৃদ্ধ এই অঞ্চলে প্রতিবেশী দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) বিপুল সংখ্যক নাগরিক অবৈধভাবে পাড়ি জমান।
বেঙ্গো প্রদেশের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ওই প্রদেশেই প্রায় ৭ হাজার অবৈধ খনিকর্মী কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে সোনা উত্তোলনের সাথে জড়িত রয়েছেন। সূত্র: এএফপি (AFP)
ফ্রান্সে ৩ বছর বৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রস্তাব, উৎকণ্ঠায় প্রবাসীরা