ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে হিজবুল্লাহর নাইট-টাইম ফার্স্ট-পারসন-ভিউ (এফপিভি) ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতা। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় রাতের অন্ধকারে একাধিকবার এসব ড্রোন হামলা চালিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে হিজবুল্লাহ।
ইসরায়েলের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াইএনইটি নিউজ জানিয়েছে, প্রথম ঘটনা ঘটে শনিবার রাতে, যেখানে গিভাতি ব্রিগেডের সৈনিক স্টাফ সার্জেন্ট মাইকেল টিউকিন নিহত হন। এরপর রবিবার থেকে সোমবারের মধ্যবর্তী রাতেও আরেকটি হামলায় ম্যাগলান কমান্ডো স্টাফ সার্জেন্ট অ্যাডাম সারফাতি প্রাণ হারান।
একজন ইসরায়েলি সৈনিক ওয়াইএনইটিকে বলেন, রাতের বেলায় ড্রোনের মাধ্যমে এমন সুনির্দিষ্ট আঘাত আগে কখনও দেখা যায়নি, যা সামরিক ইউনিটগুলোর জন্য নতুন এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী আশঙ্কা করছে হিজবুল্লাহ ফাইবার-অপটিক এফপিভি ড্রোনে থার্মাল সিস্টেম যুক্ত করতে পারে, যা রাতের অন্ধকারেও কার্যকর হামলা চালাতে সক্ষম হবে। আগে ধারণা ছিল এসব ড্রোনে এমন প্রযুক্তি নেই, কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনার পর সক্ষমতা আরও বেড়েছে বলে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
একজন সামরিক কর্মকর্তা ওয়াইএনইটিকে বলেন, প্রতিবারই তারা তাদের হামলার নির্ভুলতা আরও বাড়াচ্ছে, তাই বাহিনীকে সবসময় গতিশীল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এছাড়া ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এখন ভারী সামরিক যান, বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং কাজে ব্যবহৃত বুলডোজার ও এক্সকাভেটরের ব্যবহারও সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ এগুলোকে সহজ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা
আবারও নাবাতিয়েহ শহর খালি করার নির্দেশ ইসরায়েলের
লেবানন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সমঝোতা কতটা ভঙ্গুর?