ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সমঝোতা বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানকে ‘শান্তির দূত’ হিসেবে তুলে ধরেছে।
ইসলামাবাদে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সাথে এক বৈঠকে এ মন্তব্য করেন যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্য, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান বিষয়ক মন্ত্রী হামিশ ফ্যালকনার।
তিনি বলেন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরিতে পাকিস্তান অত্যন্ত ইতিবাচক ও দূরদর্শী ভূমিকা রেখেছে।
বিশেষ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ অসিম মুনির আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে এবং ইরানের পক্ষে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতে ঐতিহাসিক অবদান রেখেছেন।
মহসিন নাকভির সভাপতিত্বে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সংবাদ জানিয়েছে পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবউন।
বৈঠকে ফেডারেল মন্ত্রী চৌধুরী সালিক হুসাইন, আলী পারভেজ মালিক, তালাল চৌধুরী, আওন চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র সচিব মুহাম্মদ খুররম আগা, ব্রিটিশ হাইকমিশনার জেন ম্যারিয়টসহ এফআইএ এবং ন্যাশনাল পুলিশ একাডেমির শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ দমন, অবৈধ অভিবাসন রোধ, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং পুলিশ প্রশিক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।
বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে নাকভি স্পষ্ট করে বলেন, আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে বেশকিছু সন্ত্রাসী সংগঠন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। আফগান সরকারের উচিত তাদের ভূখণ্ডকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না দেয়া।
যুক্তরাজ্যের সাথে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে পাকিস্তানের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) ব্রিটিশ মন্ত্রী হামিশ ফ্যালকনার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেবের সাথেও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে বৈঠক করেন।
লেবাননে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি চাইলেন ম্যাক্রোঁ
ইরানে আবারও বোমা হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের