প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ ইউরোপের শিক্ষা ও পরিবহন ব্যবস্থাকেও চাপে ফেলেছে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও নেদারল্যান্ডসে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে ঘরে ফিরতে হয়েছে, আর রেলযাত্রীদের সতর্ক করা হয়েছে সম্ভাব্য ভোগান্তির বিষয়ে।
ফ্রান্সের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) দেশটির প্রায় ৬ হাজার স্কুল হয় সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল, নয়তো বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে সীমিত কার্যক্রম চালিয়েছে। যুক্তরাজ্যেও শত শত স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নেদারল্যান্ডসে পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করেছে তথাকথিত ‘ট্রপিক্যাল টাইমটেবল’। অর্থাৎ, দিনের সবচেয়ে গরম সময় এড়াতে ক্লাসের সময় কমিয়ে আনা হয়েছে।
সমস্যার একটি বড় কারণ হলো ইউরোপের অধিকাংশ স্কুলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই। ফলে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে শ্রেণিকক্ষগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য অস্বস্তিকর, এমনকি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
দাবদাহের প্রভাব পড়ছে রেলপথেও। যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম ও ফ্রান্সে রেললাইন অতিরিক্ত গরমে বাঁকতে পারে, এমন আশঙ্কায় যাত্রীদের সতর্ক করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যে বুধবার (২৪ জুন) ও বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণ না করার পরামর্শও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এক কথায়, এই তাপপ্রবাহ শুধু আবহাওয়ার ঘটনা নয়; এটি ইউরোপের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও সরাসরি প্রভাব ফেলছে। সূত্র: সিএনএন
তীব্র তাবদাহে আইফেল টাওয়ার–ল্যুভরের সময়সূচিতে কাটছাঁট
ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহ, দুই শিশুসহ ১৮ জনের মৃত্যু
সাইবেরিয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট