চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকে বসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী চীনের ঐতিহ্যবাহী তিয়েনআনমেন স্কয়ারে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফরের শেষ দিনে অনুষ্ঠিত এই শীর্ষ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র বিশেষ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে আজ বিকেলেই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রীর।
পাঁচ দিনের এই চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ২৪ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রয়েছে। এই দলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, এ কে এম শামসুল ইসলাম, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহদী আমিনসহ পাঁচজন বিশেষ উপদেষ্টা এই সফরে অংশ নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় যান তারেক রহমান। এরপর গত সোমবার রাতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বিশেষ বৈঠকে যোগ দিতে চীনের দালিয়ানে পৌঁছান তিনি। সেখানে দুই দিনের ব্যস্ত কর্মসূচি শেষ করে গত বুধবার বিকেলে বেইজিংয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে তাঁর অত্যন্ত সফল দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আজ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে ১৩ সমঝোতা স্মারক সই