সকালের মধ্যেই ১২ জেলায় ঝড়ের আভাস

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ এএম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায়ও দেশে সর্বোচ্চ ২৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত অব্যাহতভাবে দেখি যেতে বলা হয়েছে। 

এ পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালের মধ্যেই দেশের ১২ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। 

এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে এরপর উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।

এই অবস্থায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোসহ উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 

ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একইসাথে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সকালের মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেটের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

নওগাঁর বাদলগাছীতে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।


 
পাশাপাশি এই সময়ে চট্টগ্রামে ২২৩ মিলিমিটার ছাড়াও সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ২০৯, কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬৯, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ১৪৭, টাঙ্গাইলে ১১৯, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১২, নীলফামারীর ডিমলায় ১১২, রাঙামাটিতে ১০৬ মিলিমিটারসহ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। 

এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

HN
আরও পড়ুন