টানা বৃষ্টি ও বন্যায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও পানির নিচে। উপজেলার দুই পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে প্রায় অর্ধলাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এদিকে দুই দিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি ও মৎস্য বিভাগ এবং বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার থেকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদের পানি বেড়ে গিয়ে ধোপাছড়ি, দোহাজারী, বরমা, বৈলতলীসহ বিভিন্ন এলাকার লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। এতে উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
এদিকে বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের হাশিমপুর অংশে প্রায় দেড় ফুট উঁচু দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানে সড়ক থেকে পানি কিছুটা নেমে গেলেও ছোট যানবাহনের চলাচলে এখনো ভোগান্তি রয়েছে। বড় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
বন্যার কারণে বুধবার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের বিভিন্ন স্থানে রেললাইনের ওপর পানি উঠে যায়। কোথাও কোথাও গাছ উপড়ে পড়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়।
দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার ইকবাল হোসেন চৌধুরী জানান, শুক্রবার সকাল থেকে এ পথে ট্রেন চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়েছে।
চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান জানান, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উপজেলায় ২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দুর্গত মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে এবং ১২ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বন্যার পানিতে অন্তত আটটি মাটির ঘর ধসে পড়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
মধুপুর গড়াঞ্চলে বন্যপ্রাণির সুরক্ষায় রোপওয়ে করিডোর নির্মান
এনসিপির কুমিল্লা উত্তর জেলা আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা
হাটহাজারীতে মেয়ের সামনে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা