ম্যাচ থেকে তুলে নেওয়ার কারণ জানালেন কোর্তোয়া

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম

স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে চোটের কারণে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৭১ মিনিটে উরুর চোটে খেলা চালিয়ে যেতে না পারার ইঙ্গিত দিলে তাকে তুলে নেয় কোচিং স্টাফ। তখন ম্যাচের স্কোর ছিল ১-১। শেষ দিকে বদলি গোলরক্ষক সিন লেমেন্সের সামনে গোল করে স্পেন ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়।

কোর্তোয়া বলেন, "আমি একটি গোল কিক নেওয়ার সময় উরুতে তীব্র ব্যথা অনুভব করি। কোচিং স্টাফকে বলেছিলাম, লম্বা গোল কিক নিতে সমস্যা হচ্ছে। তবে গোলপোস্টে থেকে দায়িত্ব পালন করতে আমার কোনো অসুবিধা ছিল না। শেষ পর্যন্ত কোচ আমাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই, কারণ দলের স্বার্থই সবার আগে।"

হাইড্রেশন বিরতির কিছুক্ষণ আগে চোট পাওয়ার পর মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেন রিয়াল মাদ্রিদের এই গোলরক্ষক। পরে তার পরিবর্তে মাঠে নামেন সিন লেমেন্স। ম্যাচের শেষ দিকে সেই পরিবর্তনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ৮৮ মিনিটে পাউ কুবারসির দূরপাল্লার শট লেমেন্স পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলে ফিরতি বলে গোল করেন মিকেল মেরিনো। সেই গোলেই স্পেন নিশ্চিত করে শেষ চারের টিকিট, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স।

চোট পাওয়ার আগে কোর্তোয়া ছিলেন বেলজিয়ামের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়দের একজন। স্পেনের একের পর এক আক্রমণ ঠেকাতে তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। তার বিপক্ষে প্রথম গোলটি আসে ৩০ মিনিটে, যখন ফাবিয়ান রুইজের শট দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। গোলরক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বল বিল্ডআপেও কার্যকর ভূমিকা রাখেন তিনি; ২৯টি পাসের মধ্যে ২২টিই ছিল সফল।

চলতি বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়া। স্পেনের বিপক্ষে এই ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপে তার ২১তম উপস্থিতি। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলরক্ষকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় তিনি এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। এই তালিকায় তার ওপরে রয়েছেন কেবল জার্মানির ম্যানুয়েল নয়ার, যার বিশ্বকাপ ম্যাচসংখ্যা ২৩।

NM/YA
আরও পড়ুন