ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সাংবাদিকদের জাতীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার যোদ্ধা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শনিবার (৮ আগস্ট) ইরানে জাতীয় সাংবাদিক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
গালিবাফ বলেন, শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, বয়ানের মঞ্চেও একটি জাতির ভাগ্য নির্ধারিত হয়। তাঁর ভাষ্য, সাংবাদিকদের দায়িত্ব কেবল সংবাদ তৈরি ও প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সত্য ও জ্ঞানের মাধ্যমে তাদের জাতীয় পরিচয় এবং মানুষের মানসিক নিরাপত্তা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হয়।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে সংবাদ, ছবি, গুজব ও তথ্য বিকৃতির মাধ্যমেও সত্য ও মানুষের বিশ্বাসকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা জ্ঞানকে দুর্গ এবং সত্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে একটি জাতির সাংস্কৃতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের সাংবাদিক দিবস প্রতি বছর ইরানি বর্ষপঞ্জির মোরদাদ মাসের ১৭ তারিখে পালিত হয়। ১৯৯৮ সালে আফগানিস্তানের কাবুলে ইরানের দূতাবাসে নিহত ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির সাংবাদিক মাহমুদ সারেমি এবং আট ইরানি কূটনীতিকের স্মরণে দিবসটি পালন করা হয়।
গালিবাফ সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে ইরানি সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ওই যুদ্ধের সময় ইরানি সাংবাদিকরা বিশ্বের কাছে ইরানের অবস্থান ও প্রতিরোধের চিত্র তুলে ধরেছেন।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানকে শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, বয়ানের ক্ষেত্রেও নিজেদের সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ দিয়েছে। তাঁর দাবি, ইরানি সাংবাদিকরা শত্রুপক্ষের কথিত বিজয়ের বয়ান জনমনে প্রতিষ্ঠিত হতে দেননি। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি
'মুসলিমরা এক হলে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব'
মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিদেশি শক্তিকে চলে যেতে হবে: ভেলায়াতি
বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণ?