সার লুটের ঘটনায় ভূরুঙ্গামারীতে দুই তদন্ত কমিটি

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বিসিআইসি ডিলারের গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি  ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। একই ঘটনায় কৃষি অধিদপ্তরও একটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বিভাগীয় তদন্ত কমিটিতে রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি করা হয়েছে। কমিটির সদস্য করা হয়েছে উপপরিচালক সিফাত জাহান ও লালমনিরহাট কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. শায়খুল আরেফিনকে।

এর আগে রোববার (২৩ আগস্ট) উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার মুকুল হাজীর গুদাম থেকে ২০২ বস্তা সার নিয়ে যান বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় এখন পর্যন্ত ১০৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তারা ডিলারের কাছ থেকে সার পাচ্ছিলেন না। গুদামে চার কিস্তিতে মোট ১ হাজার ৩৬০ বস্তা সার থাকার কথা থাকলেও বিতরণের সময় মাত্র ৩৪০ বস্তা থাকার কথা জানানো হয়। এ নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে ডিলারের উপস্থিতিতেই কৃষকেরা গুদাম থেকে সার নিয়ে যেতে শুরু করেন।

কৃষকদের আরও অভিযোগ, ডিলার গোপনে ব্যবসায়ীদের কাছে সার বিক্রি করেছেন। বর্তমানে জমিতে সার প্রয়োজন হলেও টাকা দিয়েও তা পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা সার নিয়ে যান বলে দাবি করেন কৃষকেরা।

বিসিআইসির ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার তাইফুর রহমান মুকুল জানান, এ ঘটনায় ভূরুঙ্গামারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাকি সার উদ্ধারের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির সভাপতি আমিনুল হক তারেক বলেন, আমরা সরেজমিনে এসে প্রত্যক্ষদর্শী, ডিলার ও কৃষকদের বক্তব্য শুনেছি। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

MCH
আরও পড়ুন