রংপুর নগরীর দাসপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনার তদন্তভার শেষ পর্যন্ত মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে ন্যস্ত করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, নিরপেক্ষ ও দ্রুততম সময়ে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়ার সুবিধার্থেই এই তদন্তকারী সংস্থা পরিবর্তন করা হলো।
গত সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার পূর্বতন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জী ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা তথা মহানগর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিনাত আলীর হাতে মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাপ্ত আলামত ও তথ্য তুলে দেন। এরপর তারা যৌথভাবে ঘটনাস্থল দাসপাড়ার সেই বাড়িটি ঘুরে দেখেন এবং প্রাথমিক তদন্তের বিস্তারিত বিনিময় করেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবির উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী মামলার তদন্ত ডিবিতে স্থানান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এখন থেকে পরিদর্শক জিনাত আলী পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালিয়ে যাবেন।
এদিকে এই নৃশংস চার হত্যাকাণ্ডের পেছনে পুলিশের দেওয়া ব্যাখ্যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। গত রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ দাবি করেছিলেন- পাশের বাসার ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াতেই অভিযুক্ত মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, কন্যা প্রার্থী ও শিশুসন্তান প্রীয়মকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
তবে এই বিবরণ প্রত্যাখ্যান করে সোমবার রাতে নগরীতে মশাল মিছিল বের করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর আগে রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। আন্দোলনকারীরা ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচনের দাবি জানান এবং ঘটনার সময় বাড়ির বিদ্যুতের লাইন কে কেটেছিল- তার স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি তোলেন।
ইরানের যে শীর্ষ কমান্ডারদের তথ্য দিলেই মিলবে ১ কোটি ডলার
বাজার স্থিতিশীল রাখতে টিসিবির বড় উদ্যোগ